Image Not Found!
ঢাকা   রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | ১২ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ

  পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে শেরপুরে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত (95)        ১১ দফা দাবিতে শেরপুর জেলা রবিদাস সম্মেলন অনুষ্ঠিত (95)        নালিতাবাড়ীতে নদীতে নৌকা ডুবে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর ১৬ দিন পর লাশ উদ্ধার (95)        শেরপুরের শ্রীবরদীতে ৬  জনকে কুপিয়ে জখম,মা-মেয়েসহ ৩ জনের মৃত্যু (95)        নালিতাবাড়ীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামত করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান (95)        ঝিনাইগাতীতে  পাহাড়ি ঢলে কেড়ে নিল উবায়দুলের বসৎবাড়ি   (95)        বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ এর নবনির্বাচিত সভাপতি শামীম, সম্পাদক ক্লার্ক (4)        শেরপুরে টিসিবি'র পণ্য বিক্রয়ের শুভ উদ্বোধন (95)        ইতালিস্হ‌ জালালাবাদ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের সহযোগীতায় ত্রাণ বিতরণ (4)        ঝিনাইগাতীতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠি (95)      

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের স্মরণীয় নাম শহীদ নূর হোসেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ নূর হোসেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সবচেয়ে স্মরণীয় নাম। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগঠিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন।

 ১৯৮৭ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একত্র হয়ে স্বৈরশাসক এরশাদের পতনের লক্ষ্যে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির ঘোষনা করে। এরপূর্বে এরশাদ ১৯৮২ সালে একটি সেনা উত্থানের মধ্যদিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং ১৯৮৭ সালের নির্বাচনে জয়্লাভ করেন, কিন্তু বিরোধী দলগুলো তার এই নির্বাচনকে জালিয়াতি বলে অভিযুক্ত করে। তাদের একমাত্র দাবী ছিল নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা। অবরোধ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ঢাকায় একটি মিছিলে নূর হোসেন অংশ নেন এবং প্রতিবাদ হিসেবে বুকে পিঠে সাদা রঙে লিখিয়ে নেনঃ ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ । মিছিলটি ঢাকা জিপিও-র সামনে জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি আসলে স্বৈরশাসকের মদদপুষ্ট পুলিশবাহিনীর গুলিতে নূর হোসেনসহ মোট তিনজন আন্দোলনকারী নিহত হন, এসময় বহু আন্দোলনকারী আহত হন।

 নূর হোসেনের আত্মত্যাগে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন আরো বেগবান হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০-এর ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচারের পতন ঘটে। এরপর থেকে প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এছাড়া তিনি যে স্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত হন, তার নামানুসারে সেই জিরো পয়েন্টের নামকরন করা হয়েছে নূর হোসেন স্কয়ার।

 নূর হোসেনের পৈত্রিক বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ঝাতবুনিয়া গ্রামে। তার পিতা মুজিবুর রহমান ছিলেন পেশায় অটো-রিকশা চালক। অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার পর নূর হোসেন পড়াশুনা বন্ধ করে মোটর চালক হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। নূর হোসেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের বনগ্রাম শাখার পাব্লিসিটি সেক্রেটারির দায়িত্বে ছিলেন।