Image Not Found!
ঢাকা   রবিবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | ২৩ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ

  নালিতাবাড়ীতে এসএসসি ৯৭ ব্যাচের ছাত্র-শিক্ষক মিলন মেলা ও সম্মাননা প্রদান (95)        পাখি সংরক্ষণে অবদান রাখায় শেরপুর বার্ড কনজারভেশন সোসাইটি পেলেন বিশেষ পুরস্কার (91)         শেরপুরে পরিবহন মালিক, চালক,শ্রমিক, ও হেলপারদের নিয়ে ট্রাফিক আইন সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত (95)        কলমাকান্দায় ভুট্টা চাষের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা (94)        অবশেষে জামিনে মুক্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা পাইলট (94)        শেরপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে বই পাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত (95)        কলমাকান্দায় নৌকা ডুবে এক ব্যক্তি নিখোঁজ (95)        শ্রীবরদীতে ফাঁসিতে ঝুঁলে শিক্ষার্থীর আত্বহত‍্যা (95)        ঘুমানোর সময় আলো জ্বালিয়ে রাখলে আমাদের শরীরের অনেক ক্ষতি হতে পারে (90)        সেরা ১০০ জন ফুটবলারের তালিকায় মেসি নাম্বার ওয়ান (84)      

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের স্মরণীয় নাম শহীদ নূর হোসেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ নূর হোসেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সবচেয়ে স্মরণীয় নাম। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগঠিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন।

 ১৯৮৭ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একত্র হয়ে স্বৈরশাসক এরশাদের পতনের লক্ষ্যে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির ঘোষনা করে। এরপূর্বে এরশাদ ১৯৮২ সালে একটি সেনা উত্থানের মধ্যদিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং ১৯৮৭ সালের নির্বাচনে জয়্লাভ করেন, কিন্তু বিরোধী দলগুলো তার এই নির্বাচনকে জালিয়াতি বলে অভিযুক্ত করে। তাদের একমাত্র দাবী ছিল নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা। অবরোধ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ঢাকায় একটি মিছিলে নূর হোসেন অংশ নেন এবং প্রতিবাদ হিসেবে বুকে পিঠে সাদা রঙে লিখিয়ে নেনঃ ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ । মিছিলটি ঢাকা জিপিও-র সামনে জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি আসলে স্বৈরশাসকের মদদপুষ্ট পুলিশবাহিনীর গুলিতে নূর হোসেনসহ মোট তিনজন আন্দোলনকারী নিহত হন, এসময় বহু আন্দোলনকারী আহত হন।

 নূর হোসেনের আত্মত্যাগে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন আরো বেগবান হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০-এর ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচারের পতন ঘটে। এরপর থেকে প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এছাড়া তিনি যে স্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত হন, তার নামানুসারে সেই জিরো পয়েন্টের নামকরন করা হয়েছে নূর হোসেন স্কয়ার।

 নূর হোসেনের পৈত্রিক বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ঝাতবুনিয়া গ্রামে। তার পিতা মুজিবুর রহমান ছিলেন পেশায় অটো-রিকশা চালক। অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার পর নূর হোসেন পড়াশুনা বন্ধ করে মোটর চালক হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। নূর হোসেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের বনগ্রাম শাখার পাব্লিসিটি সেক্রেটারির দায়িত্বে ছিলেন।