Image Not Found!
ঢাকা   ১৪ এপ্রিল ২০২১ | ১ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ

  টঙ্গীবাড়িতে প্রতারক চক্রের তিন সদস্য আটক। (2)        চাঁদ দেখা গেছে আগামীকাল বুধবার থেকে রোজা (2)        নকলায় হাজারধিক মাস্ক ও সাবান বিতরণ করলেন 'প্রস্ফুটিত শেরপুর' ফেইসবুক গ্রুপ (95)        জরুরী প্রয়োজনে যাতায়াতের নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগে চালু হয়েছে মুভমেন্ট পাস (3)        খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, ইতালী শাখা (4)        আজ বিকেল তিনটা পর্যন্ত টাকা জমা ও উত্তোলন করতে পারবেন (2)        ইতালিতে প্রবাসী নারীদের আয়োজনে নারী নেত্রী মেহেনাস তাব্বাসুম শেলির তত্বাবধায়নে রোমের বিভিন্ন স্হানে বৈশাখ উদযাপন (4)        এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউনে যা বন্ধ থাকবে জেনে নিন (3)        রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে নিম্ন আয়ের মানুষ (2)        দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড (2)      

দেশে কঠোর লকডাউনের সুপারিশ ||স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

নিউজ ডেস্কঃ দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে ১২ দফা সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এরমধ্যে রয়েছে কঠোর লকডাউনের সুপারিশও। মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও বর্তমানে করণীয় সম্পর্কে জরুরি সভা হয়। বৈঠকে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সংক্রমণ রোধে ১২টি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। বিশেষজ্ঞদের সাথে বৈঠক করে এই সুপারিশগুলো মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র এবং এনসিডিসি শাখার পরিচালক মোহাম্মদ রোবেদ আমিন। তিনি বলেন, এখানে যেহেতু পলিসিগত নানান সিদ্ধান্তের ব্যাপার রয়েছে, সরকার পরবর্তীতে যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেভাবে স্বাস্থ্য অধিদফতর বাস্তবায়ন করবে। সংক্রমণ রোধে গৃহীত প্রস্তাব: ১. সম্ভব হলে সম্পূর্ণ লকডাউনে যেতে হবে। না হলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয় রেখে যেকোনো জনসমাগম বন্ধ করার সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ২. কাঁচাবাজার, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, শপিংমল, মসজিদ, রাজনৈতিক সমাগম, ভোট অনুষ্ঠান, ওয়াজ মাহফিল, রমজান মাসের ইফতার মাহফিল ইত্যাদি অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে। ৩. বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধই রাখতে হবে। অন্যান্য কার্যক্রমও সীমিত করতে হবে। ৪. যেকোনো পাবলিক পরীক্ষা (বিসিএস, এসএসসি, এইচএসসি, মাদ্রাসা, দাখিলসহ) নেওয়া বন্ধ রাখতে হবে। ৫. কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশন নিশ্চিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। ৬. যারা রোগীদের সংস্পর্শে আসবে, তাদর কঠোর কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করতে হবে। ৭. বিদেশ থেকে বা প্রবাসী যারা আসবেন, তাদের ১৪ দিনের কঠোর কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করতে হবে। এই ব্যাপারে প্রয়োজনে সামরিক বাহিনীর সহায়তা নেয়া যেতে পারে। ৮. আগামী ঈদের ছুটি কমিয়ে আনা যেতে পারে। ৯. স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আইন আরও জোরালোভাবে কার্যকর করতে হবে। ১০. পোর্ট অব এন্ট্রিতে জনবল আরও বাড়াতে হবে এবং নজরদারির কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। ১১. সব ধরনের সভা ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে করার উদ্যোগ নিতে হবে। ১২. পর্যটন এলাকায় চলাচল সীমিত করতে হবে। এর আগে গত ১৩ মার্চ সারাদেশে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমণের হার বেশ কমে এলেও গত কয়েকদিন ধরে তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। বুধবারও ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১,৮৬৫ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। এ নিয়ে বাংলাদেশে মোট শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ লাখ ৬২ হাজার ৭৫২ জন।